whatsapp channel

Oindrila Saha: ছোট্ট বয়স থেকে অভিনয়ে, নিজে উপার্জন করে সংসারের হাল ফেরান ঐন্দ্রিলা

বাংলা ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের (Television Actress) তালিকায় ঐন্দ্রিলা সাহার (Oindrila Saha) নাম না করলেই নয়। সেই কোন ছোট্ট বয়সে ক্যামেরার সামনে মুখ দেখিয়েছিলেন তিনি। সেই শুরু, তারপর থেকে আর ফিরে…

Avatar

Nirajana Nag

বাংলা ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের (Television Actress) তালিকায় ঐন্দ্রিলা সাহার (Oindrila Saha) নাম না করলেই নয়। সেই কোন ছোট্ট বয়সে ক্যামেরার সামনে মুখ দেখিয়েছিলেন তিনি। সেই শুরু, তারপর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। বর্তমানে পরিবারের মূল উপার্জনকারী হিসেবে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। সম্প্রতি ‘ঘরে ঘরে জী বাংলা’য় ঐন্দ্রিলার বাড়িতে গিয়েছিল টিম। অভিনেত্রীর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন অপরাজিতা আঢ্য। সেখানেই অভিনেত্রীর ব্যাপারে অজানা তথ্য সামনে আসে।

ছোট্ট ঐন্দ্রিলার কেরিয়ার শুরু কিন্তু অভিনয় দিয়ে নয়, বরং নাচ দিয়ে। জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ডান্স বাংলা ডান্সে অংশ নেন তিনি। এই শোতে সঞ্চালনার দায়িত্বও সামলেছেন ঐন্দ্রিলা। তারপর তিনি পা রাখেন অভিনয়ে। একাধিক সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্র এবং পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে সকলের মন জয় করে নেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ঘরে ঘরে জি বাংলার সঞ্চালিকা অপরাজিতা আঢ্যের কাছে অভিনেত্রীর মা বলেন, এক সময় তাঁদের বাড়িতে একটি মাত্র ঘর ছিল। এখন এর এমন দোতলা সাজানো গোছানো বাড়ি সম্ভব হয়েছে ঐন্দ্রিলার জন্য। এর পেছনে তাঁর বড় অবদান রয়েছে।

তবে বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান নন ঐন্দ্রিলা। এক ছোট বোন রয়েছে তাঁর। এদিন অপরাজিতা আঢ্যের সঙ্গে দুই বোনের নাচার একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে চ্যানেলের তরফে। নেটিজেনরাও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ঐন্দ্রিলাকে।

প্রসঙ্গত, একাধিক সিরিয়ালে অভিনয় করলেও ঐন্দ্রিলা বিশেষ জনপ্রিয়তা পান ‘মিঠাই’ এর দৌলতে। জি বাংলার এই ধারাবাহিকে মিঠাই এর ছোট ননদ শ্রীনিপা ওরফে নীপার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তাঁর সাবলীল অভিনয় দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল চরিত্রটি। মিঠাই শেষ হতে অন্য চ্যানেলে পা রাখেন ঐন্দ্রিলা। কালার্স বাংলা চ্যানেলে ‘তুমি যে আমার মা’ ধারাবাহিকে অভিনয় করছিলেন তিনি। পাশাপাশি একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে ঐন্দ্রিলার। সেখানেও প্রায়ই ভিডিও আপলোড করতে থাকেন তিনি।

Avatar

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই