Hoop Viral

Ranu Mondal: অবশেষে ফিরছে সুসময়, আবারো ক্যামেরার সামনে ঝকঝকে মঞ্চে গান গাইলেন রানু

Advertisements

সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব নতুন করে কিছুই বলার নেই। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ভাইরাল হয়েই চলেছে। আর এই দৌলতে রাতারাতি চর্চায় উঠে আসে কিছু নাম। সম্পূর্ণ অচেনা অজানা মানুষ আচমকাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তাদের প্রতিভার দৌলতে। এমনই একজন মানুষ হলেন রানু মণ্ডল (Ranu Mondal)। বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যান তিনি। তাঁর গানের গলা মুগ্ধ করেছিল আপামর জনসাধারণকে।

রানাঘাটের স্টেশনে মলিন শতছিন্ন কাপড়ে বসে থাকা এই ভবঘুরে মহিলার কণ্ঠে লতা মঙ্গেশকরের গান শুনে চমকে উঠেছিল নেটজগৎ। লতাকণ্ঠী রানু গেয়েছিলেন ‘এক পেয়ার কা নগমা হ্যায়’। সেই ভিডিও রাতারাতি ছড়িয়ে পড়েছিল নেট পাড়ায়। রানুর গলার সুর চমকিত করেছিল সকলকে। সেই শুরু তাঁর উত্থানের। একটি মাত্র ভাইরাল ভিডিওর দৌলতে তিনি পেয়ে গিয়েছিলেন মুম্বইয়ের টিকিট। তারপর বিভিন্ন শোতে মুখ দেখানো, খ্যাতনামা সঙ্গীত পরিচালক হিমেশ রেশমিয়ার সুরে গান গাওয়ার সুযোগ, দিনগুলি যেন স্বপ্নের মতো কাটছিল রানুর। তখন সকলের মুখেই ছিল তাঁর নাম।

Ranu Mondal: অবশেষে ফিরছে সুসময়, আবারো ক্যামেরার সামনে ঝকঝকে মঞ্চে গান গাইলেন রানু

কিন্তু এই সুখ বেশিদিন তাঁর কপালে সয়নি। অচিরেই কিছু ভিডিও ভাইরাল হতে শুরু করে, যেখানে নানান ভাবে ট্রোলড হন রানু মণ্ডল। যেটুকু জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, সমস্ত খুইয়ে ফের রানাঘাটে ফেরেন তিনি। জায়গা হয় এক ভাঙাচোরা বাড়িতে। তারপরের ঘটনা সকলেরই জানা। এখন ইউটিউবারদের উৎপাতেই অতিষ্ঠ রানু। তাঁর জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমা, কিন্তু অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি রানুর। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল আরেকটি ভিডিও যা দেখে কয়েক বছর আগে ফিরে গিয়েছেন নেটিজেনরা।

ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি শোতে গান গাইছেন রানু। দক্ষিণ ভারতীয় কোনো শোতে গিয়েছেন তিনি। ‘নাজায়েজ’ ছবির অলকা ইয়াগনিকের গাওয়া ‘তুঝে পেয়ার করতে করতে’ গানটি গাইতে শোনা যাচ্ছে তাঁকে। তাঁর সুমধুর কণ্ঠ শুনে উপস্থিত অনেকে প্রশংসাও করছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘২০২৪ সালে দ্বিতীয় বার গান গাওয়ার চান্স পেলেন রানু মণ্ডল’। তবে এটি কবেকার ভিডিও, কোন শোতে তিনি গিয়েছিলেন সেসব তথ্য জানা যায়নি।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই