Hoop Life

Lifestyle: সপ্তাহে কতবার যৌন মিলন করলে ভালো থাকবে শরীর ও মন! দেখুন বিশেষজ্ঞদের অভিমত

প্রাচীন দার্শনিক প্লেটো-র (Pleto) দর্শনে যৌন সঙ্গমকে এতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি সেসময়। কিন্তু সম্পর্কে যে যৌনতা গুরুত্বপূর্ণ, তা একসময় নিজেদের সাহিত্যের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন উইলিয়াম শেক্সপিয়ার (William Shakespeare) এবং তার সমসাময়িক কবি ও সাহিত্যিকরা। আধুনিক দর্শনও সেই কথাই বলে। বর্তমান কালের বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন সঙ্গমই সম্পর্কের মাধুর্যতা বজায় রাখে। আবার অনেক সময় অত্যধিক যৌন সঙ্গম সম্পর্কের ভাঙনের কারণ হয়েও দাঁড়ায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কতদিন অন্তর কিংবা সপ্তাহে ক’দিন সঙ্গী/সঙ্গিনীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে আপনার সঙ্গে আপনার মনের মানুষের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে? এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি উঠে এসেছে এক বিশেষজ্ঞর অভিমত।

যৌনতা নিয়ে এই মতবাদ দেওয়া ব্যক্তিটি হলেন জ্যাক ম্যাডক (Jack Maddok)। ইনি ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী বেশ বিতর্কিত। তবে এবার জ্যাক শুনিয়েছেন এক আশ্চর্য তথ্য৷ তিনি বলেছেন, ঠিক কতবার এক সপ্তাহে আপনার যৌনতায় মত্ত হওয়া উচিত৷ একটি ভিডিওবার্তায় জ্যাক দাবি করেছেন, সপ্তাহে দু’ থেকে তিনবার মহিলাদের যদি অর্গ্যাজম সম্ভব। আর এই অর্গ্যাজমের রয়েছে নানান উপকারীতা। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে, মহিলাদের নিয়মিত অর্গ্যাজম হলে তা তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থার উন্নতি ঘটায়৷ পাশাপাশি, শারীরিক ভাবেও অনেক সময় এর ফলে উন্নতি সাধন হয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। এই একই বিষয় পুরুষদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে দাবি করেছেন জ্যাক। তিনি জানান, পুরুষের শরীরের হরমোনাল ব্যালান্স, শারীরিক অবস্থার সঠিক মাত্রায় উন্নয়ন সম্ভব একমাত্র অর্গ্যাজমের ফলেই।

আর এই অবস্থায় বিশেষজ্ঞ জ্যাক ম্যাডক জানিয়ে দিয়েছেন যে সপ্তাহে কতবার যৌন মিলনের মত্ততায় মেতে উঠলে ভালো থাকবে শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্য। জ্যাক আরো জানান, সপ্তাহে দু’ থেকে তিনবার আপনি যদি যৌনতায় মত্ত হন, তা হলে সঙ্গীর সঙ্গে আপনার অনেক দূরত্বও অনেকটা কমবে৷ এর ফলে আপনাদের সম্পর্কের উন্নতি হবে৷ একে অপরের সঙ্গে থাকতে থাকতে সম্পর্কে অনেক সময়ে শীতলতা এসে পড়ে৷ সেই এক ঘেয়েমি কাটিয়ে নতুন করে সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরে পেতেও সাহায্য করবে যৌনতা৷

বর্তমান সময়ে সম্পর্কের দৃঢ়তার চাবিকাঠি হিসেবে যৌন সঙ্গমকেও রাখা হয়। তবে আপনার কিংবা আপনার সঙ্গী অথবা সঙ্গিনীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করেই লিপ্ত হোন শারীরিক সম্পর্কে। অন্যথায় ফল হতে পারে বিপরীত।