whatsapp channel

চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকার ষড়যন্ত্র, নিশানায় দক্ষিণ চিন সাগর, চাপে বেজিং

দক্ষিণ চিন সাগরের সঙ্গে কোনভাবেই সরাসরি জড়িত নয় আমেরিকা। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে নাক গলাচ্ছে তারা। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এমনটা ‘একেবারেই অনভিপ্রেত’ বলে দাবি চিনের। অন্যদিকে,…

Avatar

HoopHaap Digital Media

দক্ষিণ চিন সাগরের সঙ্গে কোনভাবেই সরাসরি জড়িত নয় আমেরিকা। তা সত্ত্বেও দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে নাক গলাচ্ছে তারা। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এমনটা ‘একেবারেই অনভিপ্রেত’ বলে দাবি চিনের। অন্যদিকে, আমেরিকার অভিযোগ, দক্ষিণ চিন সাগরে নিজের কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে গিয়ে অন্যান্য বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত করছে চিন। মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক থেকে বিবৃতি জারি করে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার এর উত্তরে আমেরিকাস্থিত চিনা দূতাবাস পাল্টা বিবৃতি জারি করে। এই বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘দক্ষিণ চিন সাগর নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে কোনও ভাবেই সরাসরি জড়িত নয় আমেরিকা। তাই এই বিষয়ে নাক গলানো উচিত নয় তাদের।’ দক্ষিণ চিন সাগরে দীর্ঘ দিন ধরে আমেরিকা নিজেদের ক্ষমতা জাহিরের চেষ্টা করছে বলে কড়া সমালোচনা করা হয়েছে চিনা দূতাবাসের বিবৃতিতে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘শান্তিস্থাপনের বাহানায় দক্ষিণ চিন সাগরে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করছে আমেরিকা। এতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হচ্ছে ওই এলাকায়। যা ওই এলাকার দেশগুলির মধ্যেকার সংঘাতকে বাড়িয়ে তুলছে।’

সাম্প্রতিক কালে দক্ষিণ চিন সাগরকে কেন্দ্র করে বারবার সংঘাতে জড়িয়েছে আমেরিকা ও চিন। এই এলাকায় নিজেদের কর্তৃত্ব কায়েম করতে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ও বেজিং। নিজেদের পক্ষের দেশ গুলিকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতা প্রদর্শনের খেলায় মেতেছে দু পক্ষই। কয়েক বছর আগে যুদ্ধজাহাজ পর্যন্ত পাঠিয়েছিল আমেরিকা। তার পর থেকেই এই এলাকায় বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছে চিনও।

Avatar