whatsapp channel

মুখে ফিরবে হারানো রুচি, রসুন দিয়েই চটজলদি বানিয়ে ফেলুন এই ইউনিক ভর্তা

ভর্তা (Bharta) তো অনেকেই খেয়েছেন। বিশেষ করে আলু ভর্তা, ডাল ভর্তার মতো খাবার বাঙালি মাত্রেই খুব প্রিয়। তবে আলু, বেগুন, ডাল ছাড়াও বিভিন্ন সবজির যেমন টমেটো, শিম, বরবটি সহ মাছ,…

Avatar

Nirajana Nag

ভর্তা (Bharta) তো অনেকেই খেয়েছেন। বিশেষ করে আলু ভর্তা, ডাল ভর্তার মতো খাবার বাঙালি মাত্রেই খুব প্রিয়। তবে আলু, বেগুন, ডাল ছাড়াও বিভিন্ন সবজির যেমন টমেটো, শিম, বরবটি সহ মাছ, ডিম, মাংসের ভর্তাও হয়, যা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ উপকারী। তবে এই প্রতিবেদনে এমন একটি ভর্তার খোঁজ থাকল যা গরম ভাতে মেখে খেতে যেমন ভালো লাগবে, তেমনি মুখে রুচি ফেরাবে এই ভর্তা।

যারা ভর্তা খেতে ভালোবাসেন তারা রসুনের ভর্তা (Garlic Bharta) খেয়ে দেখতেই পারেন। শুনে চমকে উঠলেন? রসুনেরও ভর্তা হয়! হ্যাঁ, শুনতে একটু অন্যরকম লাগলেও রসুনের ভর্তা খেলে হারিয়ে যাওয়া রুচি ফিরে আসবে মুখে। গরম ভাতে কিংবা রুটির সঙ্গে রসুনের ভর্তা খেলে মুখে হাসি ফুটে উঠতে বাধ্য। নিত্যদিনের খাবারের রুটিনে একটু বদল আনতে এই ভর্তা রাখতেই পারেন পাতে। কিন্তু কীভাবে বানাবেন রসুনের ভর্তা? সহজ রেসিপি জানতে এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

খুব সহজে এবং খুবই কম সময়ে বানিয়ে ফেলা যায় রসুনের ভর্তা। তাই হাতে সময় কম থাকলেও চটজলদি বানিয়ে ফেলা যাবে এই ভর্তাটি। বাড়ির সদস্যদের পাতে কিংবা হঠাৎ অতিথি আসলে রসুনের ভর্তা খাইয়ে চমকে দিতে পারলেও খ্যাতি বাড়বে আপনারই। এই ভর্তা তৈরি করতে প্রয়োজন সামান্য কয়েকটি উপকরণ। রসুনের কোয়া, শুকনো লঙ্কা, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা, তেল, স্বাদ মতো নুন আর সামান্য চিনি দরকার হবে এই ভর্তার জন্য। দুটি বড় রসুনের সঙ্গে ২-৩ টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুচি লাগবে এই ভর্তার জন্য।

প্রথমে রসুন ছাড়িয়ে কয়েকটি শুকনো লঙ্কা আঁচে সেঁকে নিতে হবে। পেঁয়াজ কুচি তেলে ভেজে নিতে হবে। তারপর আঁচ নিভিয়ে পেঁয়াজের উপরে ধনে পাতা কুচি দিয়ে একটু নেড়ে নিতে হবে। এবার রসুনের সঙ্গে শুকনো লঙ্কা থেঁতো করে তার সঙ্গে মেশাতে হবে ভাজা পিঁয়াজ। তার মধ্যে দিতে হবে স্বাদমতো নুন, চিনি। তারপর সামান্য কাঁচা সরষের তেল মিশিয়ে সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে রসুন ভর্তা। গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে এই রসুন ভর্তা।

Avatar

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই