Hoop PlusBengali Serial

Sonamoni Saha: শরীরে পিছলে যাচ্ছে রোদ, শাড়ি-স্লিভলেস ব্লাউজে গ্রীষ্ম উপভোগ করছেন সোনামণি

Advertisements

প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ আট থেকে আশি সকলেই। দিনের বেলা রোদের তাপ এতটাই বেশি থাকে যে বাড়ির বাইরে বেরোনোটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অভিনেত্রী সোনামণি সাহা (Sonamoni Saha) একমাত্র ব্যতিক্রম। অন্যরা যেখানে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে অস্থির হয়ে পড়েছে, সেখানে সোনামণি দিব্যি শরীরে রোদ মেখে ফটোশুট করছেন। কাণ্ড দেখে অবাক নেটিজেনরাও।

সোনামণিকে কেউ চেনেন ‘দেবী চৌধুরাণী’ হিসেবে, কারোর কাছে তিনি আবার ‘মোহর’। ছোটপর্দায় পরপর হিট দিয়েছেন সোনামণি। প্রথম সিরিয়ালেই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ধারাবাহিক ছাপিয়ে গিয়েছিল প্রথম টিকেও। মোহর হয়ে গোটা বাংলার দর্শকদের ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু তিন নম্বর সিরিয়ালেই কেটে যায় তাল। দু দুজন নায়ককে এনেও ‘এক্কা দোক্কা’ খেলা জমাতে পারেননি সোনামণি। মাঝপথে সে সিরিয়াল শেষ হওয়ার পর থেকেই এক রকম বে পাত্তা অভিনেত্রী।

Sonamoni Saha: শরীরে পিছলে যাচ্ছে রোদ, শাড়ি-স্লিভলেস ব্লাউজে গ্রীষ্ম উপভোগ করছেন সোনামণি

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যে নানান ছবি, ভিডিও শেয়ার করে থাকেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর কিছু ছবি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে নেট পাড়ায়। হলুদ শাড়ির সঙ্গে গোলাপি প্রিন্টেড স্লিভলেস ব্লাউজ পরেছেন তিনি। খোলা চুল, শরীরে পিছলে যাচ্ছে রোদ। ক্যাপশনে সোনামণি লিখেছেন, ‘তপ্ত এ রোদের বেলায়’। নেটিজেনরাও প্রশংসায় ভরিয়েছেন অভিনেত্রীকে।

দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশন থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। মাঝে মহালয়ার সময়ে একটি বিশেষ ফটোশুট দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলেও ছোটপর্দার দর্শকরা এখনো দেখা পাননি সোনামণির। আর কি ফিরবেন না তিনি টেলিভিশনে? এক সাক্ষাৎকারে সোনামণি অবশ্য জানিয়েছিলেন, তাঁর নতুন সিরিয়াল শুরু হতে চলেছে। এ বিষয়ে কথাবার্তা চলছে এখন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো কিছু নেননি ঠিকই, তবে খুব তাড়াতাড়ি ফ্লোরে ফেরার কথা জানিয়েছিলেন সোনামণি। আপাতত অবসর সময় কাটাচ্ছেন তিনি। চুটিয়ে বই পড়ছেন। পাশাপাশি ছবি আঁকাও তাঁর খুব পছন্দের। সেটাও শুরু করেছেন নতুন করে। সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়েও মুখ খুলেছিলেন সোনামণি। তিনি স্পষ্টই জানান, বিয়ে নিয়ে কোনো পরিকল্পনাই তাঁর নেই এখন। যদি করেন তাহলে জানিয়েই করবেন।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই