Hoop PlusTollywood

ছোট্ট আদিদেবকে ‘মোটা’ বলে কটাক্ষ, সন্তানের দিকে আঙুল তোলায় সপাট জবাব সুদীপার

Advertisements

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলারদের অন্যতম নিশানা সুদীপা চট্টোপাধ্যায় (Sudipa Chatterjee)। তাঁর বিভিন্ন মন্তব্য য়ে একাধিক বার সমালোচনার ঝড় উঠেছে নেট পাড়ায়। এমনকি তাঁর কিছু সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও উঠে এসেছে ট্রোলারদের নিশানায়। তবে এবার সুদীপা নয়, কুৎসিত ট্রোলের মুখে পড়ল তাঁর ছোট্ট ছেলে আদিদেব চট্টোপাধ্যায়। পালটা সপাটে জবাব দিলেন মা সুদীপা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় থাকেন সুদীপা। টুকটাক নানান ছবি, ভিডিও নেট মাধ্যমে শেয়ার করে থাকেন তিনি। ভাগ করে নেন ছোট ছেলের নানান কাণ্ডকারখানার ছবি ভিডিও। বছর খানেক আগে আদিদেবকে স্কুলে ভর্তি করিয়েছিলেন সুদীপা। ক্লাস ওয়ানে পড়ে খুদে। সম্প্রতি স্কুলের ইউনিফর্ম পরে, গলায় জলের বোতল ঝুলিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় আদিদেবের একটি ছবি তুলে শেয়ার করেন সুদীপা। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই উড়ে আসে কুরুচিকর কটাক্ষ। এমনকি একজন আদিদেবকে ‘মোটা’ বলতেও ছাড়লেন না।

ছোট্ট আদিদেবকে 'মোটা' বলে কটাক্ষ, সন্তানের দিকে আঙুল তোলায় সপাট জবাব সুদীপার

‘ওবেসিটি’র কথা তুলে জনৈক ব্যক্তি সুদীপাকে পরামর্শ দেন, বাচ্চার সুস্থতার দিকে নজর দিতে। উত্তরে সুদীপা লেখেন, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে কিছু করার নেই, এটা ওর পরিবারের মধ্যেই রয়েছে’। এরপরেই আদিদেবের সঙ্গে তুলনা টানা হয় তার সৎ দাদা আকাশের। অগ্নিদেবের প্রথম পক্ষের সন্তান আকাশ। তবে সৎ ছেলে হিসেবে নয়, অগ্নিদেবের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ের পর আকাশকে নিজের ছেলের মতোই কাছে টেনে নিয়েছিলেন সুদীপা।

ছোট্ট আদিদেবকে 'মোটা' বলে কটাক্ষ, সন্তানের দিকে আঙুল তোলায় সপাট জবাব সুদীপার

প্রসঙ্গত, প্রযোজক অগ্নিদেবের আগেও একটি বিয়ে ছিল। তবে সুদীপা তাঁর জীবনে আসার আগেই আগের স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। অগ্নিদেবের প্রথম পক্ষের ছেলে আকাশ যখন বোর্ডিংয়ে পড়ে, তখন সুদীপার সঙ্গে জমিয়ে প্রেম করছেন অগ্নিদেব। ২০১০ সালে ঘরোয়া বিয়ে করেন তাঁরা। দীর্ঘ সাত বছর ধরে লিভ ইন সম্পর্কে থাকার পর ২০১৭তে আইনি বিয়ে করেন সুদীপা অগ্নিদেব। এখন আকাশের সঙ্গেও খুব ভালো সম্পর্ক সুদীপার। স্বামীর সঙ্গে বয়সের ফারাক কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি তাঁর কাছে। দুই ছেলে, স্বামীকে নিয়ে দিব্যি সুখে সংসার করছেন সুদীপা।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই