Hoop PlusRegionalTollywood

Rachna Banerjee: বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ভাঙে বিয়ে, কে ছিলেন রচনা ব্যানার্জীর প্রথম স্বামী!

Advertisements

বর্তমানে জি বাংলার ‘দিদি নং ওয়ান’ মানেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)-র তুখোড় সঞ্চালনা। একের পর এক গেম শো, রিয়েলিটি শো সম্প্রচারিত হলেও রচনার খ্যাতি কেউ অতিক্রম করতে পারেনি। রচনা প্রমাণ করে দিয়েছেন, তাঁর কোনো সাবস্টিটিউট নেই। বাংলা সিনেমার বড় পর্দায় অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করলেও রচনা একসময় টলিউডের গন্ডি ছাড়িয়ে প্রবেশ করেছিলেন বলিউডেও। হিন্দি ফিল্ম ‘সূর্যবংশম’-এ অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)-এর সাথে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন তিনি। ওড়িয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রথম মহিলা সুপারস্টার ছিলেন রচনা। আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ছবির নিচে অনুরাগীদের একাংশ নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হন। ওড়িশার মানুষরা লেখেন, এখনও রচনাই তাঁদের কাছে শ্রেষ্ঠ নায়িকা।

ওড়িয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে গিয়ে রচনার সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল সিদ্ধান্ত মহাপাত্র (Sidhdhant Mahapatra)। রচনা ও সিদ্ধান্তের জুটি ওড়িয়া ফিল্মে ছিল সুপারহিট। ক্রমশ এই বন্ধুত্ব ধারণ করে প্রেমের রূপ। রচনা ও সিদ্ধান্ত গোপনে বিয়েও করেছিলেন। তবে সেই সময় বাংলার কিছু নামী সংবাদমাধ্যম তাঁদের বিয়ের কথা জেনে যায়। ফলে সিদ্ধান্তের সাথে রচনার বিয়ের কথা ফাঁস হয়ে গিয়েছিল বাংলায়। প্রথমে তাঁদের বিয়েতে কোনো সমস্যা না থাকলেও পরবর্তীকালে সিদ্ধান্তের পরিবারের তরফে ওঠে আপত্তি। পরিস্থিতি চিড় ধরিয়ে দিয়েছিল রচনা ও সিদ্ধান্তের সম্পর্কে। অতএব বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা। এই সময় রচনা ধীরে ধীরে ওড়িয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেও সরে আসেন।

প্রচুর ভালো ফিল্মের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আবারও বাংলা সিনেমায় মনোনিবেশ করেছিলেন রচনা। এরপর প্রবাল বসু (Prabal Basu)-র সাথে রচনার বিয়ে হয়। জন্ম হয় তাঁদের পুত্র প্রণীল (Pranil)-এর। কিন্তু একসময় প্রবালের সাথেও রচনার সেপারেশন হয়ে যায়। তবে তাঁদের আইনত বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি। বর্তমানে প্রবাল ও রচনার মধ্যে বন্ধুত্ব রয়েছে। গত বছর দুর্গাপুজোর সময় প্রণীলের সাথে দেখা গিয়েছিল তার মা-বাবাকে। অপরদিকে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, রচনা তাঁর খুব ভালো বন্ধু। কিন্তু বারবার ব্যক্তিগত ঝড়ের কারণে ক্ষতি হয়েছে রচনার কেরিয়ারের।

টলিউডে এসে গিয়েছে নতুন মুখ। ফলে গুরুত্ব কমে গিয়েছিল রচনার। কিন্তু ‘দিদি নং ওয়ান’ তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছে হৃত গৌরব। সিদ্ধান্তকে নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ রচনা। হয়তো অতীতকে ভুলে যেত চান তিনিও।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by @rachnabanerjeefp.odisha