Rannaghor: দীর্ঘ ১৭ বছরের যাত্রায় ইতি, বন্ধ হচ্ছে সুদীপার ‘রান্নাঘর’
নভেম্বর ডিসেম্বরেই বন্ধ হচ্ছে একাধিক মেগা। ঠিক যেন নতুন বছরের আগে সবটা ঢেলে সাজাতে চাইছেন নির্মাতারা। আর এবার সেই তালিকায় নাম উঠল সুদীপার ‘রান্নাঘর’-এর। থেমে গেল ১৭ বছরের দীর্ঘ যাত্রাপথ। সুদীপার (Sudipa Chatterjee) রান্নার জাদুতে আর ম-ম করবে না সোনালী বিকেলগুলো। এই আক্ষেপ এখন দর্শকমহলে।
শুক্রবারই শেষ হল ধারাবাহিকের শুটিং। আর শেষ সময়ে চোখ ভিজে এল সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের। সবার আড়ালে কেঁদে বসলেন তিনি। শুক্রবার অন্তিম মুহূর্তে ‘রান্নাঘর’-এর সেটে উপস্থিত ছিলেন অনেকেই। সকলকে নিয়ে নস্টালজিয়ায় কেটে গেল শেষদিনটা। এদিন যে সমস্ত তারকারা আগেই এসেছিলেন ‘রান্নাঘর’-এর পর্দায়, তাদের ডাকা হয়েছিল। এসেছিলেন বিশ্বনাথ বসু, কাঞ্চন মল্লিকও। সকলেরই কমবেশি মনখারাপ ছিল দিনটিতে। শুক্রবার শেষের মুহূর্তে বিশেষ দু’টি পদ রান্না করেন সুদীপা। এদিন তিনি নিজে বানান পোলাও এবং ভেটকির পুর দেওয়া স্পেশ্যাল ফ্রাই। এর মাঝে তিনি বলেন, ‘১৭ বছরের স্মৃতি দিয়ে ঘিরে রাখার চেষ্টা শেষ ক’টি পর্বকে। যা দেখে সবার মনে হবে, শেষ হইয়াও হইল না শেষ!’
কিন্তু দীর্ঘ ১৭ বছরের একটা যাত্রাপথ। আচমকা থেমে গেলে যেন এই যাত্রাপথের সঙ্গে যুক্ত সকলেরই অনেক কিছুই থেমে যায়। এমনই একজন হলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। ‘রান্নাঘর’ ছাড়া তাকে বিশেষ দেখা যায়নি। তাই এরপর তিনি কি করবেন, এই প্রশ্ন করা হয়। তার উত্তরে সুদীপা বলেন, ‘আপাতত হাতে অনেক কাজ রয়েছে। সেসব সেরে বিশ্রাম নেব কিছুটা সময়। তিনি বলেন, ‘অমিতাভ বচ্চনের একটি কথা আমিও মানি। যা আমার পছন্দের সেটা ভাল। যেটা নয়, সেটা আরও ভাল। কারণ, সেটা ঈশ্বর আমার জন্য পছন্দ করে রেখেছেন। তবে আমি নিত্যপুজো করি। মায়ের কাছে মনের সব কথা উজাড় করে দিই। তাই আগামীতে যা হবে, ভাল কিছুই হবে’।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন ছিল যে ‘ঘরে ঘরে জি বাংলা’ শীর্ষক নতুন গেম শো’র ঘোষণা হতেই রচনা ব্যানার্জির (Rachana Banerjee) রিয়েলিটি শো ‘দিদি নং-১’ এর উপর এর প্রভাব পড়বে। তবে শেষমেষ সুরক্ষিত রইল ‘দিদি নং-১’। নতুনের আগমনে কোপ পড়ল সুদীপার ‘রান্নাঘরে’ই।