Hoop PlusTollywood

Soumitrisha Kundu: ‘অহংকারী’ তকমা মিলেছে আগেই, বাবা-মায়ের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক সৌমিতৃষার!

Advertisements

ধরাছোঁয়ার বাইরে যা, তার প্রতিই মানুষের আকর্ষণ হয় সবথেকে বেশি। গ্ল্যামার জগতের তারকারাও পড়েন এই তালিকায়। তাদের কাজই খ্যাতি এনে দেয় তাদের। সর্বক্ষণ লাইমলাইটের তলায় থাকেন তারা। চাইলেই কি সবসময় প্রিয় তারকাকে ছুঁয়ে দেখতে পারেন ভক্তরা? এগুলি না পারার কারণেই আকর্ষণ বাড়ে আরো। তবে তারকা হলেও আদতে তো তারাও মানুষ। ক্যামেরা, আলো বন্ধ হলে আর পাঁচ জনের মতোই বাড়ির পথ ধরেন তারা, যেখানে তারা সেলিব্রিটি নন। নেহাতই ঘরের ছেলে বা মেয়ে। সৌমিতৃষা কুণ্ডুও (Soumitrisha Kundu) কিন্তু বাস্তবে এমনই।

ছোটপর্দায় কাজ করার সময় তিনি যেমন ছিলেন, এখনো রয়েছেন তেমনটাই। গ্ল্যামার জগতের নায়িকা হলেও আসলে সৌমিতৃষা খুবই ঘরোয়া। আর পাঁচজন অভিনেতা অভিনেত্রীর মতো পার্টি পছন্দ নয় তাঁর। ফাঁকা সময় থাকলেই বাবা মায়ের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। বাবা মায়ের সঙ্গেই সিনেমা দেখা, সময় কাটানো পছন্দ করেন সৌমিতৃষা। পাশাপাশি আরো কিছু অভ্যাস রয়েছে তাঁর, যেগুলি ছোটপর্দা থেকে এখনও রয়েছে তাঁর।

Soumitrisha Kundu: 'অহংকারী' তকমা মিলেছে আগেই, বাবা-মায়ের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক সৌমিতৃষার!

সৌমিতৃষার সবথেকে প্রিয় হল মায়ের হাতের রান্না করা খাবার। এখনও তিনি বাইরের রেস্তোরাঁর খাবার ছেড়ে মায়ের হাতের খাবার বেশি পছন্দ তাঁর। শুধু তাই নয়, মা নিজে হাতে খাইয়ে না দিলে ভালো ভালো লাগে না তাঁর। মিঠাই চলাকালীন ব্রেকের সময়ে খাওয়ার জন্য টিফিন গুছিয়ে দিতেন সৌমিতৃষার মা। কিন্তু শুটিং তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলে টিফিন না খেয়ে বাড়ি নিয়ে চলে আসতেন তিনি। আর বাড়ি ফিরে মাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য আবদার করতেন তিনি। শুধু তাই নয়, বাবা ফলের রস করে দিলে তবেই সৌমিতৃষা ফল খান।

প্রসঙ্গত, বড়পর্দায় সৌমিতৃষার প্রথম ছবি ‘প্রধান’। ডেবিউ ছবিতেই টলিউড সুপারস্টার দেবের বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ, নিঃসন্দেহে বড় ব্রেক সৌমিতৃষার কাছে। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘প্রধান’ এর ট্রেলার। ছবিতে দেবের স্ত্রী রুমির চরিত্রে রয়েছেন তিনি। কিন্তু অদ্ভূত ভাবে ট্রেলারে তাঁর মুখে কোনো সংলাপ শোনা যায়নি। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে কানাকানিও। তবে সৌমিতৃষা এখন সম্পূর্ণ ভাবে উপভোগ করছেন মুহূর্তগুলো।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই