Hoop NewsHoop Trending

Bond Investment: স্বল্প সময়ে বিনিয়োগ করে পেয়ে যান উচ্চ হারে সুদ! জেনে নিন নিয়মগুলি

নিজের রোজগার থেকে কিছুটা অর্থ কেই না সঞ্চয় করতে চায়। তবে ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্মের অনীহা চোখে পড়ে। এক্ষেত্রে অনেকেই ‘বন্ড’-এ বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে আগ্রহী হন। কিন্তু এই বিষয়ে বিশদ জ্ঞান না থাকলে আপনাকে পড়তে হবে ক্ষতির মুখে। তাই বন্ডের বিষয়টি জেনে নিন বিস্তারিত।

(১) বন্ড কি? ‘বন্ড’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হল চুক্তিপত্র। বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। বন্ডের মাধ্যমে সরকার কিংবা কোনও বেসরকারি সংস্থা বিনিয়োগকারী বা সংস্থার থেকে নির্দিষ্ট সুদে টাকা নিয়ে থাকে। সেই নির্দিষ্ট সময় শেষ হলে টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়। আর তার সঙ্গে সুদও দেওয়া হয় বিনিয়োগকারীকে।

(২) বন্ড কত রকমের হয়?

বন্ড স্বল্পমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি বা মেয়াদবিহীন হতে পারে। মেয়াদ এবং নানা শর্তাবলীর ভিত্তিতে বন্ড ৬ রকমের হয়। সেগুলি হল- সিকিওরড বন্ড, আনসিকিওরড বন্ড, কিউমুলেটিভ ইন্টারেস্ট, নন কিউমুলেটিভ ইন্টারেস্ট, রিডিমেবেল এবং পারপেচুয়াল ইন্টারেস্ট।

(৩) কোন বন্ডে কতটা ঝুঁকি?

কর্পোরেট বন্ড সর্বদাই উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হয়। তবে পিএসইউ বন্ডের ক্ষেত্রে ঝুঁকি একদমই নেই। এছাড়া ফিক্সড ডিপোজিটে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা করা হয়। সেই ক্ষেত্রে এটি একদমই ঝুঁকিহীন।

(৪) এই বিনিয়োগ কি নিরাপদ?

নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করতে হলে বলতে হবে ‘AAA’ রেটেড বন্ড সবথেকে বেশি নিরাপদ। তবে ‘AA’ রেটেড বন্ডে নিরাপত্তা একটু কম হয়। এক্ষেত্রে বিনিয়োগের আগে বিচক্ষণতা দরকার। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।

(৫) কিভাবে করবেন বিনিয়োগ?

বিভিন্ন বন্ডে বিনিয়োগের নিয়ম বিভিন্ন হয়। মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে বন্ডে বিনিয়োগ করা যায়। তবে কর্পোরেট বন্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট। এছাড়া কমার্শিয়াল বন্ড ব্যাঙ্ক বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে বন্ড কিনতে পারবেন বিনিয়োগকারী। সরকারি বন্ডে যদি বিনিয়োগ করতে চান তা হলে সরাসরি বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে পারেন।

Disclaimer: প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ তথ্যভিত্তিক। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।