whatsapp channel

Snigdhajit Bhowmik: ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ! গিটারের টুংটাং সুরে স্নিগ্ধজিৎ গাইলেন ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ 

গানের জগতের মানুষ যখন তখন গানই উপহার দেবেন, এমনটাই স্বাভাবিক। আর তাই দিলেন তিনি। এদিন খালি গলায় গাইলেন অরিজিৎ সিং এর বিখ্যাত গান ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’। অবশ্য এতেও কিছু নেট জনতার সমালোচনা যে বউ বুঝি রাগ করেছে, তাই বোঝে না সে বোঝে না গাইছেন শিল্পী। কিন্তু, ব্যাপারটা কি আদৌ তাই? একটু পিছনের সাক্ষাৎকারের কিছু কথা পড়ে দেখি যা একটা সময় স্নিগ্ধজিৎ বারবার বলেছিলেন, এবং এখনও মানেন।

Avatar

HoopHaap Digital Media

“আমার মা এবং স্ত্রীর আত্মত্যাগ, অসংখ্য মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আমাকে ইতিমধ্যেই বিজয়ী করেছে।” এরকমই কিছু কথা বহুবার উঠে এসেছে সা রে গা মা পা খ্যাত স্নিগ্ধজিৎ ভৌমিকের শব্দে। সেই জন্যেই ২০২১ এর শেষ দিনে বউ অদিতির জন্য দিলেন সেরা উপহার। ভাবছেন কি উপহার?

গানের জগতের মানুষ যখন তখন গানই উপহার দেবেন, এমনটাই স্বাভাবিক। আর তাই দিলেন তিনি। এদিন খালি গলায় গাইলেন অরিজিৎ সিং এর বিখ্যাত গান ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’। অবশ্য এতেও কিছু নেট জনতার সমালোচনা যে বউ বুঝি রাগ করেছে, তাই বোঝে না সে বোঝে না গাইছেন শিল্পী। কিন্তু, ব্যাপারটা কি আদৌ তাই? একটু পিছনের সাক্ষাৎকারের কিছু কথা পড়ে দেখি যা একটা সময় স্নিগ্ধজিৎ বারবার বলেছিলেন, এবং এখনও মানেন।

শিল্পী স্নিগ্ধজিৎ বলেছিলেন, “আমি যৌথ পরিবার থেকে এসেছি। আমার বাবার মানসিক অসুস্থতার কারণে, মাকে অনেক নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। আমি যখন গান শিখতে চেয়েছিলাম, তখন আমাকে এমন একজন লোককে বলা হয়েছিল যার বাবা মানসিকভাবে স্থিতিশীল নন, গান করা একটি বিলাসিতা। আমি আমার প্রতিবেশী বাবাই দা-এর বাড়িতে গান চর্চা করতে যেতাম। তার একটা হারমোনিয়াম ছিল। বাবাই দা আমাকে অনুশীলন করতে দেখে গর্বিত বোধ করতেন। কিন্তু আমার পরিবারের সদস্যরা আমাকে বাড়িতে গান গাইতে দেয়নি।”

“বাবা যখন আমাকে স্কুলে নিয়ে যেতেন, লোকেরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করত। বাবা আমার বিষণ্ণ মুখ দেখে রেগে যেতেন এবং তাদের তাড়াতেন। আমার বন্ধুরা আমাকে জ্বালাতন করত, আমাকে পাগলের চেলে বলে। আমি খুব ছোট ছিলাম এবং বুঝতে পারিনি যে আমার বাবার এবং আমার দোষ কী?”

স্ত্রী অদিতি প্রসঙ্গে বলতে শিল্পী বলেন, “গানের ক্লাস শেষে আমি অদিতিকে জিজ্ঞেস করলাম টাকা কোথায় পেলে? তিনি শান্ত ছিল. দিনটি আমি কখনো ভুলব না। অনেক সাধনার পর সে আমাকে বলল কিভাবে সে টাকা পেল। আমার স্ত্রী রক্তের বিনিময়ে টাকা নিয়েছে। সে কখনই চায়নি যে আমি এই কথা বলি। আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমার মা তার শেষ অলঙ্কার বিক্রি করে, আমার স্ত্রী তার রক্তের বিনিময়ে একটি ইলেকট্রনিক তানপুরা কেনার জন্য, আমি ইতিমধ্যেই বিশাল ঋণের মধ্যে ছিলাম। আমার পিছনে ফিরে তাকানোর কোন বিকল্প ছিল না। আমি শো করতে শুরু করি আর অদিতি নাচতেন।”

Avatar