whatsapp channel

Sudipa Chatterjee: বড্ড সময় খারাপ যাচ্ছে, মায়ের মৃত্যুর পর ফের এক প্রিয়জনকে হারালেন সুদীপা

একের পর এক খারাপ খবর এসে চলেছে সঞ্চালিকা সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের (Sudipa Chatterjee) জীবনে। চলতি বছরেই নিজের জন্মদাত্রী মাকে হারিয়েছেন তিনি। এবার ফের এক কাছের মানুষকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন রান্নাঘর এর…

Avatar

Nirajana Nag

একের পর এক খারাপ খবর এসে চলেছে সঞ্চালিকা সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের (Sudipa Chatterjee) জীবনে। চলতি বছরেই নিজের জন্মদাত্রী মাকে হারিয়েছেন তিনি। এবার ফের এক কাছের মানুষকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন রান্নাঘর এর সঞ্চালিকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে আবারো একটি খারাপ খবর দিয়েছেন সুদীপা। অনুরাগীরা পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর।

নিজের পরিবারের একটি ছবি শেয়ার করেছেন সুদীপা। সেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছে স্বামী অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় এবং প্রয়াত মা দীপালি মুখোপাধ্যায়কে। এক ব্যক্তির কাঁধে মাথা রেখে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে সুদীপা কে। এই ছবিটি শেয়ার করে একটি বড়সড় পোস্ট লিখেছেন তিনি। সুদীপা লিখেছেন, ‘যে সুপুরুষ ব্যক্তিটি আমার পাশে বসে রয়েছেন উনি আমার ‘দেবতা’। আমার শাশুড়ি মায়ের স্বামী। খুব ভালো মনের একজন মানুষ ছিলেন তিনি। বহুবার তাঁর শাসন শুনেছি আমি, তবে শাসনগুলি আমাকে আগের থেকে আরো শক্ত করে তুলেছে’।

তিনি আরো লিখেছেন, ‘উনি আমাকে বিনয় শিখিয়েছিলেন, বিশেষ করে টেবিল ম্যানার্স। মূল্যবোধ দিয়েছিলেন আর লড়তে শিখিয়েছিলেন। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার বাবার ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। সবসময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন হাসি মুখে। তিনি সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন, কারণ স্মৃতির কখনো মৃত্যু হয় না। তোমাকে মিস করব দেবতা’। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের এই পোস্টে অনেকেই তাঁকে সমবেদনা জানিয়েছেন।

সুদীপার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট

গত ২০ জানুয়ারি প্রয়াত হন সুদীপার মা দীপালি মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত হন তিনি। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই ফের হাসপাতালে ভর্তি হন সুদীপার ছোট্ট ছেলে আদিদেব। জানা যায়, কুকুরের কামড় খেয়ে প্রচুর রক্তপাত হয় আদিদেবের। তারপরেই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। তবে চিকিৎসকদের সঠিক শুশ্রূষা এবং যত্নে সুস্থ এবং দ্রুত বিপদমুক্ত হয়ে ওঠে আদিদেব। এবার আবারো এক খারাপ খবর দিলেন সুদীপা। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সমবেদনা প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা।

Avatar

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই