Hoop PlusRegional

বিশ্বকে বিদায় জানালেন এই মহান শিল্পী, শোকের ছায়া বিনোদন জগতে

ভারত জুড়ে দীপাবলীর মরসুমের মাঝেই আচমকা তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে এল দুঃসংবাদ। প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান তেলেগু অভিনেতা চন্দ্র মোহন (Chandra Mohan)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল বিরাশি বছর। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন চন্দ্র মোহন। দেখা দিয়েছিল হার্টের সমস্যাও। হার্টের চিকিৎসার জন্য হায়দরাবাদের অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল চন্দ্র মোহনকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। 11 ই নভেম্বর, সকাল নটা বেজে পঁয়তাল্লিশ মিনিটে প্রয়াত হন চন্দ্র মোহন।

চন্দ্র মোহন স্টারকিড না হলেও ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাথে তাঁর আত্মীয়তা ছিল শৈশব থেকেই। পরিচালক কে.বিশ্বনাথ গারু (K. Bishwanath Garu)-র আত্মীয় ছিলেন তিনি। প্রকৃত নাম ছিল মাল্লমপল্লী চন্দ্রশেখর রাও। 1966 সালে তেলেগু ফিল্ম ‘রাঙ্গুলা রত্নম’-এর মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল তাঁর। সেই সময় পিতৃদত্ত নাম পরিবর্তন করে তিনি স্ক্রিন নেম চন্দ্র মোহন ব্যবহার করেন। এরপর থেকে এই নামেই তাঁর পরিচিতি তৈরি হয়। ‘রাঙ্গুলা রত্নম’-এ দক্ষ অভিনয়ের মাধ্যমে চন্দ্র মোহন সকলের নজর কেড়েছিলেন। ওই বছর রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে সেরা অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। এরপর 1968 সালে ‘সুখা দুহকালু’ তাঁকে আবারও এনে দেয় সেরা অভিনেতার পুরস্কার।

এরপর থেকে চন্দ্র মোহনকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। একাধিক তেলেগু ফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। নায়ক ও পার্শ্ব চরিত্রে দুই ধারাতেই চন্দ্র মোহন ছিলেন সমান ভাবে সফল। তাঁর অভিনীত ফিল্মগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘রাধা কল্যাণম’, ‘সিরি সিরা মুব্বা’-র মতো মুভি। অভিনয় চন্দ্র মোহনকে এনে দিয়েছিল দুটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।

চলে গেলেন চন্দ্র মোহন। রেখে গেলেন তাঁর স্ত্রী জলন্ধরা (Jalandhara) ও দুই কন্যাকে। চন্দ্র মোহনের মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন জুনিয়র এনটিআর (Jr. NTR) সহ বহু দক্ষিণী তারকা। আগামী সোমবার হায়দরাবাদে চন্দ্র মোহনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।