whatsapp channel

৫০ পেরিয়েও মারকাটারি ফিগার, তব্বুর গ্ল্যামারের রহস্য কী!

আশি নব্বইয়ের দশকের সুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী তব্বু (Tabu)। তাঁর সৌন্দর্য, আকর্ষণীয় ফিগার আর বিদ্যুৎ ভরা চাহনি দেখে একবারও বুক ধুকপুক করে ওঠেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। নিজের সময়কার সবথেকে…

Avatar

Nirajana Nag

আশি নব্বইয়ের দশকের সুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী তব্বু (Tabu)। তাঁর সৌন্দর্য, আকর্ষণীয় ফিগার আর বিদ্যুৎ ভরা চাহনি দেখে একবারও বুক ধুকপুক করে ওঠেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। নিজের সময়কার সবথেকে জনপ্রিয় এবং সফল অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই ৫০ পেরিয়ে গিয়েছেন তব্বু। অবিবাহিত অভিনেত্রীর কাছে বয়সও যেন থমকে গিয়েছে। এখনো তাঁর ফিগার, গ্ল্যামারাস রূপ বহু অভিনেত্রীর ঈর্ষার কারণ। এই বয়সে এসেও কীভাবে নিজেকে এত সুন্দর, ফিট রাখেন তব্বু?

আসলে সবটাই ফিটনেসের ম্যাজিক। শরীরচর্চায় মন দিয়েই প্রৌঢ়ত্বে তারুণ্য ধরে রেখেছেন তব্বু। খুবই ফিটনেস সচেতন তিনি। তবে না, জিমে যাওয়া পছন্দ করেন না অভিনেত্রী। ঘরোয়া শরীরচর্চাই মন দিয়ে করেন তিনি। তাঁর দিন শুরু হয় যোগাসন দিয়ে। প্রতিদিন সকালে একটি নির্দিষ্ট সময় শরীরচর্চার জন্যই রাখেন তব্বু। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, শরীরচর্চা করতে ভোলেন না তিনি। শরীরচর্চার সঙ্গে সঙ্গে মনের শান্তিও প্রয়োজন। আর মানসিক শান্তির জন্য ধ্যানের বিকল্প কিছু হয় না।

৫০ পেরিয়েও মারকাটারি ফিগার, তব্বুর গ্ল্যামারের রহস্য কী!

সপ্তাহে তব্বু অন্তত ২-৩ দিন ধ্যানে বসেন। সারা দিনের ব্যস্ততার মাঝে ধ্যানের জন্য এই নির্দিষ্ট সময়টুকু ব্যয় করলে মন শান্ত হয়। সমস্ত ক্লান্তি দূর হয় ধ্যান করলে। জানা যায়, শরীরচর্চা করতে খুবই পছন্দ করেন তব্বু। এই বিষয়ে যথেষ্ট ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন তিনি। হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তব্বু। আর যদি ব্যস্ততা না থাকে তাহলে যতক্ষণ না তিনি ঘামে ভিজে স্নান করে যাচ্ছেন ততক্ষণ পর্যন্ত শরীরচর্চা চালিয়ে যান।

ডায়েটের দিকে কড়া নজর থাকে তব্বুর। বাইরের খাবার মোটেই খান না তিনি। তাঁর ডায়েটে থাকে ব্রাউন রাইস, সব্জি দিয়ে তৈরি ডাল, সেদ্ধ সব্জি, ডিম সেদ্ধ আর ফল। জীবন থেকে চিরতরে চিনি বাদ দিয়ে দিয়েছেন তব্বু। চিনি আছে এমন খাবার খান না তিনি। প্রক্রিয়াজাত খাবারও খান না তব্বু।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Tabu (@tabutiful)

Avatar

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই