Hoop PlusBengali Serial

Radhika Karmakar: ‘দাদাগিরি’তে ঝালমুড়ি বানিয়েই অভিনয়ে সুযোগ, ছোট্ট ‘মিহি’র আসল পরিচয় কি!

Advertisements

জি বাংলায় মাত্র কদিন হল শুরু হয়েছে ‘কে প্রথম কাছে এসেছি’। ‘গৌরী এলো’ ধারাবাহিকের মোহনা মাইতির কামব্যাক হয়েছে এই সিরিয়ালের হাত ধরে। তবে তাঁর থেকেও বেশি নজর কেড়ে নিয়েছে ছোট্ট মিহিকা ওরফে মিহি। সিরিয়ালে সিঙ্গেল মাদার মধুবনীর একরত্তি মেয়ে মিহিকা তার মিষ্টতা দিয়ে দর্শকদের মন জিতে নিয়েছে। এই চরিত্রে অভিনয় করছে ছোট্ট রাধিকা কর্মকারকে (Radhika Karmakar)। তবে এই সিরিয়ালই প্রথম নয়। এর আগেও জি বাংলার দর্শক তাকে দেখেছে।

ছোট্ট রাধিকাকে দর্শকরা প্রথম দেখেন ‘দাদাগিরি’তে। পুঁচকে রাধিকার ঝালমুড়ি বানানো দেখে চোখ কপালে উঠেছিল সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। একরত্তি রাধিকার মিষ্টিত্ব আর বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে অনেকেই জানেন না, দাদাগিরিতে জনপ্রিয়তা পাওয়ার আগে থেকেই রাধিকা কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। মাত্র তিন বছর বয়সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা দেখার মতো। তাঁর রিল ভিডিও, ইউটিউব ভিডিও আগে থেকেই নেটিজেনদের বেশ প্রিয়। আর এখন কয়েক দিনেই অভিনয় দিয়েও সবার মন জয় করে দিয়েছে রাধিকা।

Radhika Karmakar: 'দাদাগিরি'তে ঝালমুড়ি বানিয়েই অভিনয়ে সুযোগ, ছোট্ট 'মিহি'র আসল পরিচয় কি!

আসলে দূর্গাপুরের বাসিন্দা রাধিকা। সম্প্রতি তাঁর মা সুস্মিতা কর্মকার এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বর্তমানে রাধিকার শুটিং এর জন্য কলকাতায় থাকছেন তাঁরা। রাধিকার বাবার দাদুর বাড়িতে থাকছেন তাঁরা। ছোট্ট রাধিকা পড়ে CRPF মন্তেসারি স্কুলের লোয়ার কেজিতে। দাদাগিরির পরেই সিরিয়াল থেকে ডাক পায় রাধিকা। রাধিকার মা জানান, তার স্কুলে এই অভিনয়ের বিষয়টি জানিয়ে অনুমতি নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র পরীক্ষার সময়েই স্কুলে যাবে রাধিকা। আর সেটে সময় ফাঁকা পেলেই স্কুল থেকে দেওয়া হোমওয়ার্কগুলি করিয়ে নেন রাধিকার মা।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক হল জি বাংলায় পথচলা শুরু করেছে কে প্রথম কাছে এসেছি। সন্ধ্যা সাড়ে ছটার স্লটটি দখল করেছে এই ধারাবাহিক। সিঙ্গেল মাদার এর ভূমিকায় মোহনার অভিনয় বেশ পছন্দ করছেন দর্শকরা। প্রথম টিআরপিও মন্দ ওঠেনি।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by RadhikaTales (@radhikatales)

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই