Hoop Fitness

Health Tips: পরোটা নাকি লুচি, স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনটি বেশি ক্ষতিকর! জানলে চমকে যাবেন

Advertisements

লুচি পরোটা খেতে কে না ভালোবাসে। তেলেভাজা খাবার (Oily Food) যতই অস্বাস্থ্যকর হোক না কেন, এসব খাবার খেতেই বেশি ভালো লাগে। কিন্তু লুচি পরোটা নিয়মিত খাওয়া যে স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা খারাপ তা সকলেই জানেন। পুষ্টিবিদরাও স্পষ্ট বলেন, তেলে কার্যত চপচপে করে ভাজা এই দুই খাবারই নিয়মিত খেলে শরীরের বারোটা বাজতে বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু বাঙালিকে যদি বলা হয়, আজ থেকেই লুচি পরোটা খাওয়া বন্ধ, তাহলে কি শোনা আদৌ সম্ভব? মন যে মানবে না। তাহলে লুচি বা পরোটার মধ্যে কোনটা তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর? কী বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লুচি এবং পরোটা দুইই অস্বাস্থ্যকর। তেলে ভাজা এই দুই খাবার নিয়মিত খেলে বাড়বে ওজন, সেই সঙ্গে রক্তে বাড়তে পারে কোলেস্টেরলের মাত্রা। হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি ময়দার তৈরি খাবার বেশি খেলে রক্তে সুগারের মাত্রাও বাড়বে চড়চড়িয়ে। অন্যদিকে এই সমস্ত খাবারে ফাইবার নেই একেবারেই, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়াও অসম্ভব নয়।

Health Tips: পরোটা নাকি লুচি, স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনটি বেশি ক্ষতিকর! জানলে চমকে যাবেন

অনেকে আবার রাস্তার ধারের দোকান থেকে প্রায়ই লুচি, কচুরি, পরোটা কেমন থাকেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে বিপদ আরো বেশি। কারণ দোকানে রান্না হয় পোড়া তেলে, যাতে ট্র্যান্সফ্যাট অত্যন্ত বেশি। এই তেল বেশি শরীরে গেলে হার্ট, পেটের ক্ষতি তো হয়ই, উপরন্তু ক্যানসারের মতো মারণ রোগেও আক্রান্ত হতে পারে শরীর। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারেই যদি এই তেলে ভাজা খাবার বর্জন করা সম্ভব না হয় তবে লুচির বদলে পরোটা খাওয়া ভালো। কারণ লুচি ভাজতে হয় ছাকা তেলে, যেখানে পরোটা কম তেলেও ভাজা সম্ভব। তাই লুচির বদলে মাঝে মাঝে পরোটা খাওয়া কম ক্ষতিকারক।

পুষ্টিবিদরা আরো পরামর্শ দিচ্ছেন স্টাফড পরোটা খেতে। ডাল, ছাতু, বিভিন্ন সবজি বা চিকেনের পুর ভরা পরোটা খেলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি কমে। কম তেলে হালকা করে ভাজা এই পরোটা যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনি খাওয়াও স্বাস্থ্যকর। তবে বয়স ৩৫ এর বেশি হয়ে গেলে সপ্তাহে এক দু দিনের বেশি স্টাফড পরোটা না খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে যদি ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা হাই প্রেশারের মতো রোগ থাকে তাহলে মাসে দু তিন বারের বেশি পরোটা খাওয়া মোটেই উচিত না।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই