whatsapp channel

Arpita Mukherjee: কি হবে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া দুই হাজার টাকার অগুণিত নোটগুলির?

2022 সালের জুলাই মাসে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) ডায়মন্ড সিটি ও বেলঘরিয়ার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে আচমকা হানা দিয়ে ইডি উদ্ধার করেছিল দুই হাজার ও পাঁচশো টাকার নোট মিলে মোট পঞ্চাশ…

Avatar

Nilanjana Pande

2022 সালের জুলাই মাসে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) ডায়মন্ড সিটি ও বেলঘরিয়ার বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট থেকে আচমকা হানা দিয়ে ইডি উদ্ধার করেছিল দুই হাজার ও পাঁচশো টাকার নোট মিলে মোট পঞ্চাশ কোটি টাকা। নিয়োগ- দূর্নীতি কান্ডের বিপুল পরিমাণ আর্থিক তছরুপের মূল হোতা তৎকালীন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)-র প্রেমিকা ছিলেন অর্পিতা। শুধুমাত্র টাকা নয়, কয়েক কোটি টাকার সোনার গয়না, ফরেক্স, প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার করেছিল ইডি। উদ্ধার করা যাবতীয় অর্থ, গয়না ও ফরেক্স সযত্নে রাখা রয়েছে কলকাতার বুকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ভল্টে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে মামলার নির্দিষ্ট তদন্তকারী আধিকারিকের হেফাজতে। যাবতীয় খতিয়ানের হিসাব পেশ করা হয়েছে আদালতে। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, মামলার নিয়ম অনুযায়ী, যতদিন তা চলবে, ততদিন যাবতীয় টাকা-গয়না ও নথিপত্র প্রমাণ হিসাবে যত্ন করে রাখা থাকবে।

অপরদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ অনুযায়ী, অগস্ট মাসের মধ্যে দুই হাজার টাকার গোলাপি নোট ব্যাঙ্কে জমা করতে হবে। কিন্তু পার্থ-অর্পিতা মামলায় উদ্ধার হওয়া দুই হাজার টাকার গোলাপি নোট আইন অনুযায়ী বিচার-প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাঙ্কের ভল্টেই বন্দি থাকবে। আদালতের বিশেষ নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত ওই নোট পাল্টানোর প্রশ্ন উঠছে না। প্রাক্তন ইডি কর্তা অনুপ চট্টোপাধ্যায় (Anup Chatterjee) জানিয়েছেন, অভিযুক্তের হেফাজত থেকে উদ্ধার হওয়া যাবতীয় সামগ্রী আইনত অভিযুক্তের সম্পত্তি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু অভিযুক্ত যদি আদালতে উপযুক্ত নথিপত্র পেশ করে সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণ না দিতে পারেন, তাহলে ওই নগদ টাকা-গয়না সরকারের সম্পত্তি বলে বিবেচিত হয় এবং কেন্দ্রীয় সরকারের রাজকোষে তা জমা হয়।

অপরদিকে ইডি যদি ওই অর্থ ও সম্পত্তির বেআইনি মালিকানা প্রমাণ করতে না পারে তাহলে অভিযুক্তকে সবকিছু ফেরত দেওয়া হয়। কখনও সখনও আদালতের নির্দেশে যাবতীয় ফেরত যোগ্য সম্পত্তি সুদ সমেত ফেরত দেওয়া হয়। ইডির প্রাক্তন আইনজীবীর মতে, আদালত যে কোনও সময় উদ্ধার করা টাকা, গয়না ও নথি দেখতে চাইতে পারে। ফলে তা কোনোভাবেই নষ্ট করার নিয়ম নেই। তবে এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের মাঝারি মাপের শাখার ভল্টে তিনশো কোটি টাকা রাখা কোনো বড় ব্যাপার নয় এবং তা নষ্ট হয় না।

তবে অনুপবাবুর মতে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দুই হাজার টাকার গোলাপি নোট জমা করতে বললেও তা বাতিল হওয়ার কথা বলেনি। ফলে এটি নোটবন্দি নয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষ হলে যদি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পত্তি হয়ে যায়, তবে তা বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব তাদের।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Satya ni Sodh (@satya.sodh)