Hoop News

Rain Update: চরম তাপপ্রবাহ থেকে কবে মিলবে মুক্তি! বড় আপডেট ঘোষণা করল হাওয়া অফিস

Advertisements

প্রচণ্ড দাবদাহে (Summer) জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাওয়ার জোগাড় দক্ষিণবঙ্গ। উত্তর বঙ্গের জেলাগুলি যখন ঝড় বৃষ্টিতে ভিজছে, তখন একটু কালবৈশাখীর অপেক্ষায় হা পিত্যেশ করে রয়েছেন বাংলার মানুষ (Kolkata Weather)। পশ্চিমের একাধিক জেলায় বৈশাখের শুরুতেই শুরু হয়ে গিয়েছে তাপপ্রবাহ (Heatwave)। বাদ নেই কলকাতাও। বিগত ৭০ বছরের রেকর্ড ভাঙা গরম পড়েছে এবার কলকাতায়। তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪৩ ডিগ্রিতে। এমতাবস্থায় সকলের মুখে শুধু একটিই প্রশ্ন, বৃষ্টির দেখা কবে পাওয়া যাবে?

আবহাওয়া দফতর বলছে, এখনই তাপপ্রবাহ থেকে রেহাই পাবে না কলকাতাবাসী। দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৪ঠা মে পর্যন্ত হিটওয়েভের সতর্কতা রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পুরুলিয়া জেলায় তাপপ্রবাহের চরম সতর্কতা দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা এবং কলকাতাতেও আগামী শনিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। তবে শনিবার পর্যন্ত কষ্ট সহ্য করার পর সপ্তাহান্তে আশার আলো দেখাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

Rain Update: চরম তাপপ্রবাহ থেকে কবে মিলবে মুক্তি! বড় আপডেট ঘোষণা করল হাওয়া অফিস

সপ্তাহের শেষে রবিবার ঝড় বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলা। শনিবার বিকেল থেকে উপকূল অঞ্চলে মেঘলা আকাশ থাকবে। উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে রবিবার ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরো বাড়বে সোমবার। এদিন গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গ সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে হবে ঝড়বৃষ্টি। উপকূলের জেলাগুলিতে ৩০-৩৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সঙ্গে বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।

তবে শুক্রবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ চলবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। দিনের তাপমাত্রা থাকবে ৪২ এর আশেপাশে। রাতের তাপমাত্রাও ৩০ এর নীচে নামবে না। মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড গড়েছে কলকাতায়। কলাইকুন্ডাতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১০.৪ ডিগ্রি বেড়ে পৌঁছেছিল ৪৭.২ ডিগ্রিতে, যা রেকর্ড। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে দৃশ্যটা অন্য রকম। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে চলবে বৃষ্টি। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোছবিহারে বৃষ্টি বাড়বে। তবে নীচের দিকের তিন জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে।

Nirajana Nag

আমি নীরাজনা নাগ। HoopHaap-এর একজন সাংবাদিক। বিগত চার বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। নিজের লেখার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই