Hoop News

Cyclone Update: ১০০ কিলোমিটার বেগে ল্যান্ডফল করতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’! রাজ্যের কোথায় বৃষ্টির পূর্বাভাস?

ডিসেম্বর এলেও শীতের আমেজে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে বাংলায়। যেভাবে বর্ষার শুরুতে বর্ষার দেখা মেলেনি, সেভাবেই শীতের আগমনও বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে গত সপ্তাহে থেকেই। তার কারণ হল বঙ্গোপসাগরের বুকে তৈরি হওয়া একের পর এক ঘূর্ণিঝড়। দু’সপ্তাহ আগেই বঙ্গোপসাগরের বুকে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও সেই ঘূর্ণিঝড় সেভাবে প্রভাব ফেলেনি ভূভাগে। তবে এবার ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক। কারণ হাওয়া অফিস জানিয়েছে যে ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ল্যান্ডফল করতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়।

আজ, অর্থাৎ রবিবার অতি গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই ঘূর্ণাবর্তের। আর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলেই সেটি দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসবে উপকূলীয় এলাকায় দিকেই। যেমনটা পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই ঘূর্ণিঝড় ক্রমেই উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে এবং সোমবার দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও উত্তর তামিলনাড়ু উপকূলে পৌঁছবে। এরপর গতিপথ পরিবর্তন করে শুধুই উত্তর দিকে এগোবে ঘূর্ণিঝড়। কিন্তু এর প্রভাবে বাংলায় আজ আবহাওয়া কেমন থাকবে? দেখে নিন।

■ কলকাতার আবহাওয়া: আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ কলকাতায় বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই। তবে আজ শহরের আকাশ আংশিক মেঘলা ও আংশিক পরিষ্কার থাকবে। আজ কলকাতার বুকে সর্বোচ্চ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অনুভূত হবে। মেঘলা আকাশ থাকার কারণে ঠান্ডা কিছুটা কম অনুভূত হবে শহরে।

■ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া: আজ দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই। তবে আগামীকাল থেকে কয়েকটি জেলায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে। এদিকে আজ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রার পতন ব্যাহত থাকবে বলেই জানা গেছে।

■ উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া: আজ উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় বৃষ্টি কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই উত্তরের জেলাগুলিতে শুস্ক আবহাওয়ার প্রভাব বাড়ছে আজ থেকেই। তবে শীতের প্রভাব দেখতে আরো দুদিন অপেক্ষা করতে হবে উত্তরবঙ্গবাসীকে।