Trending

Video

Shorts

whatsapp [#128] Created with Sketch.

Join

Follow

 
Advertisements

অল্প বয়সে ছেড়ে যান বাবা, মায়ের জীবনযুদ্ধের কথা ‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে শোনালেন ঋত্বিক

Avatar

Nilanjana Pande

Follow
Advertisements

মানুষের জীবনের আনাচে-কানাচে রয়েছে বিভিন্ন কাহিনী। কিছু কাহিনী সামনে আসে। কিন্তু তা সামনে নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন যোগ্য মঞ্চ অথবা পরিস্থিতির। ঋত্বিক মুখোপাধ্যায় (Writwik Mukherjee)-র জীবনেও রয়েছে বহু না বলা কথা। সম্প্রতি জি বাংলার গেম শো ‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে তিনি সকলের সামনে নিয়ে এলেন নিজের অজানা জীবনকাহিনী।

সম্প্রতি ‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন ঋত্বিক ও অরুণিমা (Arunima)। বর্তমানে তাঁরা ‘মন দিতে চাই’ ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকা। শোয়ের সঞ্চালক দাদা ওরফে সৌরভ গাঙ্গুলী (Sourabh Ganguly)-র সামনে নিজের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে কিছুটা হলেও আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ঋত্বিক। জানা যায়, তিনি চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াকালীন তাঁর মা-বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ঋত্বিককে নিয়ে তাঁর মা নামেন সংসারের জীবনযুদ্ধে। যথেষ্ট কষ্ট করে ছেলেকে বড় করেছেন ঋত্বিকের মা। একটু বড় হতেই ঋত্বিককে পেয়ে বসেছিল থিয়েটারের নেশা। ফলে এক বছর কাজ করে চাকরি ছেড়ে থিয়েটার করতেন ঋত্বিক। তাঁর জমানো টাকায় চলত সংসার।কিন্তু এরপরেই আসে করোনাকাল।

বন্ধ হয়ে যায় থিয়েটার। চাকরিরও সম্ভাবনা হয়ে আসে ক্ষীণ। সেই সময় পাড়ার মোড়ে সব্জি বিক্রি করতেন ঋত্বিক। কিন্তু এরপরেই জি বাংলা থেকে আসে সুযোগ। বর্তমানে মাকে সব ধরনের স্বাচ্ছন্দ্য দিতে চান ঋত্বিক। ছোট থেকে তিনি দেখেছেন, তাঁর মা কোনোদিনই ষাট-সত্তর টাকার বেশি জুতো পরেননি। দামী লিপস্টিক ব্যবহার করেননি। ব্যবহার করেননি ভালো গ্রুমিং কিট। মাকে দেখে কষ্ট পেতেন ঋত্বিক। আঠাশ বছর বয়স থেকে তিনি ঠিকঠাক অর্থ উপার্জন করতে শুরু করেছেন। বর্তমানে মায়ের জীবনের অপূর্ণতা সরিয়ে দিতে চান তিনি।

অবাক হয়ে ঋত্বিকের কথা শুনছিলেন সৌরভ। নিজের মায়ের সাথে সৌরভের সম্পর্ক বন্ধুর মতো। সৌরভ ঋত্বিককে বলেন, নায়কের মন যথেষ্ট সুন্দর। ফলে তাঁর স্বপ্ন পূরণ হবেই।

 
View this post on Instagram
 

A post shared by Arunima (@_arunimah_)